সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪

সুস্থ দাম্পত্য জীবন পেতে এসব বিষয় মেনে চলুন


সুস্থ দাম্পত্য জীবন পেতে এসব বিষয় মেনে চলুন

সুস্থ দাম্পত্য জীবন মানেই সুখী জীবন

সুস্থ দাম্পত্য জীবন মানেই সুখী জীবন। স্বাস্থ্যকর দাম্পত্য জীবন বজায় রাখতে হলে কিছু করণীয় জানা থাকা উচিত:


  • বিয়ের আগেই দম্পতির রক্তের গ্রুপ জানা থাকা দরকার। কারণ, সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে বাবার রক্তের গ্রুপ আরএইচ (রেসাস) পজিটিভ এবং মায়ের রক্তের গ্রুপ আরএইচ নেগেটিভ হলে গর্ভস্থ সন্তানের হাইড্রপস ফিটালিস নামক রোগে মৃত্যু এবং নবজাতকের ক্ষেত্রে তীব্র জন্ডিস ও রক্তস্বল্পতা হতে পারে। প্রথম সন্তান আক্রান্ত না হলেও দ্বিতীয় সন্তান থেকে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়তে থাকে। এ সমস্যা প্রতিরোধে প্রথম সন্তান জন্মের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মাকে অ্যান্টি-ডি ইমুনোগ্লোবিন দিতে হয়।

  • কিছু কিছু যৌনবাহিত রোগ (গনোরিয়া, সিফিলিস, ক্ল্যামাইডিয়া, ট্রাইকোমনিয়াসিস ইত্যাদি) স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের মধ্যে ছড়াতে পারে। গবেষণায় দেখা যায় যে বিবাহিত নারীদের তুলনায় বিবাহিত পুরুষদের গনোরিয়া ও ক্ল্যামাইডিয়া নামক রোগের সংক্রমণ দ্বিগুণের বেশি হয়। এতে করে বন্ধ্যত্ব, ক্যানসার, ভ্রূণের জন্মগত ত্রুটি ইত্যাদি জটিলতা হতে পারে। নিরাপদ শারীরিক সম্পর্কের জন্য কনডম ব্যবহার, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলা উচিত। এই চারটি রোগে আক্রান্ত হলে আরোগ্য লাভ করা যায়। তবে স্বামী কিংবা স্ত্রী যে কেউ সংক্রমিত হলে উভয়েরই চিকিৎসা নিতে হবে।

  • হেপাটাইটিস বি, হারপিস সিমপ্লেক্স, এইচআইভি ও এইচপিভি (হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস)—এই চারটি যৌনবাহিত রোগের কোনো কার্যকর চিকিৎসা নেই। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্বামী-স্ত্রী দুজনই হেপাটাইটিস বি–এর টিকা নিন আর নারীদের এইচপিভি টিকা নিতে হবে।

  • প্রতিদিন ১০ লাখ মানুষ বিভিন্ন যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, যার অধিকাংশেরই কোনো লক্ষণ থাকে না। তাই, লক্ষণ না থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শে স্ক্রিনিং করে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

  • সাধারণত ধর্মীয় রীতি অনুসারে মুসলিম ছেলেশিশুদের সুন্নতে খতনা করা হয়। কিছু কিছু জন্মগত রোগেও সাকামসিশন করার নির্দেশনা আছে। তবে চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন যে সব পুরুষেরই বিয়ের আগে ঐচ্ছিকভাবে খতনা করানো উচিত।

  • স্ক্যাবিসসহ অন্যান্য ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাঁচার জন্য পরিবারের সবারই পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন থাকা অপরিহার্য। প্রত্যেকের আলাদা গামছা বা তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত। প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত নখ কাটার অভ্যাস গড়তে হবে।

  • সুস্থ দাম্পত্য জীবন পেতে এসব বিষয় মেনে চলুন


  • অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় সিফিলিসসহ অন্যান্য জীবাণু সংক্রমণের কারণে ভ্রূণের জন্মগত ত্রুটি ও মৃত্যু হতে পারে। তাই প্রথম গর্ভকালীন চেকআপের সময় রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। এ ছাড়া গর্ভকালীন শারীরিক মিলন এবং একাধিক সঙ্গীর সাহচর্য পরিহার করতে হবে।

  • পরিবারের সদস্যদের খাবার ও ঘুম ঠিক রাখা উচিত। সাধারণত ঘরের খাবার পুষ্টিকর ও নিরাপদ হয়। বাইরের খাবার খেলে অ্যাসিডিটি, ডায়রিয়া, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই ঘরের খাবারে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য ঘরে পরিষ্কার ও সুস্বাদুভাবে রান্না ও পরিবেশন করা উচিত। খাবারের তালিকায় শাকসবজি ও ফল রাখতে হবে। পরিবারের বয়স্ক ও অসুস্থ সদস্যদের সময়মতো খাবার ও ওষুধ গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।



Credit: 
প্রথম আলো
মো. দেলোয়ার হোসেন
প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯: ০০
















এস আলমের ১২ প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি ৫০০০ কোটি টাকা

 


এস আলমের ১২ প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি ৫০০০ কোটি টাকা

এস আলমের ১২ প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি ৫০০০ কোটি টাকা

ব্যাংক দখলের জন্য দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের আরও ১০ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। যার পরিমাণ ১ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা। চট্টগ্রামের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের তদন্তে ভ্যাট ফাঁকির এই তথ্য পাওয়া গেছে। গত সপ্তাহে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এস আলমের যেসব প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ মিলেছে, সেগুলো হলো এস আলম স্টিলস, চেমন ইস্পাত, এস আলম রিফাইন্ড সুগার, এস এস পাওয়ার, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট, এস আলম প্রোপার্টিজ, এস আলম কোল্ড রি-রোলিং মিলস, মাসুদ প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, এস আলম ব্যাগ ম্যানুফ্যাকচারিং মিলস, এস আলম সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ।

এ ছাড়া কয়েক মাসে একই ভ্যাট কমিশনারেট এই শিল্পগোষ্ঠীর অপর দুই প্রতিষ্ঠান এস আলম ভেজিটেবল অয়েল ও এস আলম সুপার এডিবল অয়েলের সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছিল। বিষয়টি এখন আদালতে গড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে এই পর্যন্ত এস আলম গ্রুপের ১২ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পেয়েছেন ভ্যাট কর্মকর্তারা।

"আয়কর বা শুল্ক ফাঁকির চেয়ে ভ্যাট ফাঁকি বেশি গুরুতর অপরাধ। কারণ, ভ্যাট আদায় হয় ভোক্তার কাছ থেকে। ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া মানে ভোক্তার টাকা নিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়া। "


—জাহিদ হোসেন, সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়

ভ্যাট বিভাগের পাশাপাশি এস আলম গ্রুপের প্রধান সাইফুল আলমসহ তাঁর স্ত্রী, সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের আয়কর ফাঁকিরও তদন্ত চলছে। এ ছাড়া এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আয়কর ফাঁকি দিয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। বিদায়ী সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় সুবিধাভোগীদের মধ্যে অন্যতম বড় শিল্পগোষ্ঠী ছিল এস আলম গ্রুপ। এস আলম ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে গত এক দশকে ব্যাংক দখল, অর্থ পাচারসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের নানা অভিযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয়ে তিনি এসব কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আয়কর বা শুল্ক ফাঁকির চেয়ে ভ্যাট ফাঁকি বেশি গুরুতর অপরাধ। কারণ, ভ্যাট আদায় হয় ভোক্তার কাছ থেকে। ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া মানে ভোক্তার টাকা নিয়ে সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়া। এর ফলে দুই ধরনের অপরাধ হয়েছে। প্রথমত সরকারি কোষাগারে প্রাপ্য রাজস্ব জমা পড়েনি। আবার ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

জাহিদ হোসেনের মতে, ভ্যাট ফাঁকিবাজ এসব প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। শুধু ফাঁকি দেওয়া ভ্যাট আদায় নয়; জরিমানাও হওয়া উচিত। আবার ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণার জন্য জেলসহ অন্যান্য শাস্তিও হতে পারে।

কে কত ভ্যাট ফাঁকি দিল

গত ১৯ আগস্ট এস আলম শিল্পগোষ্ঠীর ১৮টি প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকির বিষয়টি তদন্ত করতে ২০ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত দল গঠন করে চট্টগ্রামের চট্টগ্রামের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট। এস আলম গ্রুপের বেশির ভাগ শিল্পপ্রতিষ্ঠান এই কমিশনারেটের আওতাধীন। তদন্ত দলকে এক মাস সময় দেওয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের গত পাঁচ বছরের বেচাকেনা ও উৎপাদনের ওপর নিরীক্ষা করা হয়।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে ১০টি প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছেন তদন্ত দলের ভ্যাট কর্মকর্তারা। সবচেয়ে ভ্যাট ফাঁকি পাওয়া গেছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার ইছানগরে অবস্থিত এস আলম রিফাইন্ড সুগার লিমিটেডের। এই প্রতিষ্ঠান ৭৫৫ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে আছে পটিয়ার শিকলবাহা এলাকার এস আলম কোল্ড রি-রোলিং মিলস। প্রতিষ্ঠানটির ফাঁকির পরিমাণ ২১৬ কোটি টাকা। এ ছাড়া বাঁশখালীর গন্ডামারার এস এস পাওয়ার ২০০ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এটি ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র।

এ ছাড়া চেমন ইস্পাত ১৪৭ কোটি টাকা, এস আলম স্টিলস ৫৬ কোটি টাকা, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট সাড়ে ২১ কোটি টাকা, এস আলম সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ সাড়ে ১০ কোটি টাকা, এস আলম প্রোপার্টিজ ৬ কোটি টাকা, মাসুদ প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ২ কোটি টাকা এবং এস আলম ব্যাগ ম্যানুফ্যাকচারিং মিলস ৩১ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেট থেকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো নোটিশের জবাব পাওয়া যায়নি বলে জানান ভ্যাট কর্মকর্তারা।

এস আলম স্টিল (ইউনিট-২), নিউ এস আলম শুজ অ্যান্ড বার্মিজ, অটোবোর্টস অটোমোবাইলস, প্লাটিনাম স্পিনিং মিলস, সাইনিং এসসেন্ট, গ্র্যান্ড স্পিনিং মিলস, ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপ ইন্ডাস্ট্রিজ, ওশান রিসোর্টসহ বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে তদন্ত চলমান আছে।

এ বিষয়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ মুসফিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ভ্যাট ফাঁকি ধরতে চলমান স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরীক্ষা করা হচ্ছে। কারও ভ্যাট ফাঁকি পাওয়া গেলে অবশ্যই তা আদায় করা হবে। প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুই প্রতিষ্ঠানের ফাঁকি ৩৫০০ কোটি টাকা

এর আগে গত জুন মাসে এস আলম গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পান এনবিআরের ভ্যাট কর্মকর্তারা। এই দুটি প্রতিষ্ঠান হলো চট্টগ্রামের এস আলম ভেজিটেবল অয়েল ও এস আলম সুপার এডিবল অয়েল।

ভ্যাট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে পরের তিন বছর নিজেদের বিক্রির তথ্য গোপন করে প্রতিষ্ঠান দুটি। নিজেদের রিটার্নে কম বিক্রি দেখিয়ে তারা ভ্যাট ফাঁকি দেয়। আবার ভোজ্যতেল উৎপাদনের উপকরণ কেনায়ও ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এর মধ্যে এস আলম ভেজিটেবল অয়েলের ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ ১ হাজার ৯১১ কোটি টাকা ও এস আলম সুপার এডিবল অয়েলের ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে।


এস আলমের কর ফাঁকির তদন্ত চলছে

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের শীর্ষ ছয়টি শিল্পগোষ্ঠীর মালিকদের কর ফাঁকির তদন্ত শুরু করে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)। পাশাপাশি তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর কর ফাঁকিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে এরই মধ্যে এস আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।

দেখা গেছে, এস আলম শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠান ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ছয়টি ব্যাংকের হিসাবে জমা আছে (স্থিতি) ২৫ হাজার ৯৬৫ কোটি টাকা। ওই ছয়টি ব্যাংকের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক, আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক—এই পাঁচটি ব্যাংকই এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এমনকি এস আলমের বাড়ির গৃহকর্মী মর্জিনা আকতারের নামেও ইসলামী ব্যাংকে এক কোটি টাকার এফডিআর পাওয়া গেছে।

এস আলম নামেই বেশি পরিচিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলম বেশির ভাগ সময় বিদেশে অবস্থান করেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তাঁকে আর দেশে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

Credit: প্রথম আলো

জাহাঙ্গীর শাহ, ঢাকা

আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৪, ০৯: ৪২ 


রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪

কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা, বেড়েছে সব সবজির দাম

 


কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা, বেড়েছে সব সবজির দাম

সপ্তাহখানেক আগেও বাজারে ১৮০-২২০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কেনা যেত। গত সপ্তাহজুড়ে টানা বৃষ্টির মধ্যে বাড়তে থাকে মরিচের দাম। আজ রোববার খুচরা বাজারে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে ফার্মের মুরগির এক পিছ ডিমের দাম বেড়ে হয়েছে ১৫ টাকা।

শুধু মরিচ আর ডিম নয়, বাজারে অন্যান্য সবজির দামও বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আজ রোববার রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও টাউনহল বাজারের খুচরা বিক্রেতারা এসব তথ্য জানান।


বর্তমানে বাজারে আমদানি করা ও দেশীয়—উভয় ধরনের কাঁচা মরিচই বিক্রি হচ্ছে। গরম, বন্যা বা অতিবৃষ্টির কারণে গত তিন-চার মাসে বাজারে বেশ কয়েকবার কাঁচা মরিচের দাম ওঠানামা করেছে। তবে বেশির ভাগ সময় ১৫০-২০০ টাকার মধ্যে মরিচ বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহেও ১৮০-২২০ টাকা দরে মরিচ বিক্রি হয়েছে। এরপর ক্রমাগত দাম বাড়তে থাকে। সর্বশেষ গতকাল বাজারে কাঁচামরিচের দাম বেড়ে ৫০০ টাকায় পৌঁছায়।

যদিও আজ কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমেছে; কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪০০ টাকা দরে।

বাজারে অন্যান্য সবজির দামও বেড়েছে। বেশির ভাগ সবজি ৮০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে বরবটি কেনা যেত ৮০-১২০ টাকা কেজি দরে। আজ বাজারভেদে প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকায়। বেগুনের দাম কেজিপ্রতি ৬০ টাকা বেড়ে ১৬০-১৮০ টাকা হয়েছে। টমেটো, পটোল, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, করলা, ঢ্যাঁড়স, লাউসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে।


কাঁচা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা, বেড়েছে সব সবজির দাম


বাজারে ফার্মের মুরগির বাদামি ডিম এখনো চড়া। আজ বড় বাজারগুলোয় এক ডজন বাদামি ডিম বিক্রি হয়েছে ১৭০-১৭৫ টাকা দরে। পাড়া-মহল্লায় এই দাম ১৮০ টাকা বা তারও বেশি। সেই হিসাবে প্রতি পিছ ডিমের দাম হয় ১৫ টাকা। ফার্মের মুরগির সাদা ডিমের দামও একই রকম।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দামও দ্বিশতক ছুঁয়েছে। আজ প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা দরে। সাত দিন আগেও এ দাম ১০-২০ টাকা কম ছিল। সোনালি মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হয়েছে ২৬০-২৮০ টাকা দরে।

আজ সকালে রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে সবজি কিনতে যান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী মনোয়ার হোসেন। তিনি দোকান থেকে সাত ধরনের সবজি কেনেন। মোট ব্যয় হয় ৯১০ টাকা। অথচ ১৫ দিন আগেও এসব সবজি ৫০০ টাকার মধ্যে কেনা যেত বলে জানান তিনি।

মনোয়ার হোসেন বলেন, কয়েক দিনের ব্যবধানে সবজি কিনতে গিয়ে ৪০০ টাকার মতো বেশি লাগছে। এটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।


Credit: প্রথম আলো 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৪, ১৭: ৩০ 


বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪

অমিতাভের সম্পত্তির পরিমাণ কত, ভাগীদার কারা?

 


অমিতাভের সম্পত্তির পরিমাণ কত, ভাগীদার কারা?


অমিতাভের সম্পত্তির পরিমাণ কত, ভাগীদার কারা?
সপরিবার অমিতাভ বচ্চন। ছবি: সংগৃহীত।


বলিউডের বিগ বি অমিতাভ বচ্চন। যত বড় তারকা, তত বড় তাঁর সম্পদের ভান্ডার। তাঁর স্ত্রী জয়া বচ্চনও বলিউডের শীর্ষ তারকাদের মধ্যে অন্যতম।‌ ‌‘সিলসিলা’, ‘শোলে’, ‘‌অভিমান’ কিংবা ‘কাভি ‌খুশি কাভি গাম’ সিনেমাগুলোয় এই দম্পতির নজরকাড়া অভিনয় এখনো মনে আছে দর্শকদের। ২০১৬ সালের পর থেকে একসঙ্গে তাঁদের বড় পর্দায় দেখা মেলেনি।

সম্প্রতি ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দম্পতির সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি রুপি। তাঁদের দুই সন্তান শ্বেতা বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন। এখনো প্রতি মাসে ৩০ কোটি রুপি আয় করেন অমিতাভ। অন্যদিকে জয়ার মাসিক আয় ৩৫ লাখ রুপি। মুম্বাইয়ে তাঁদের দুটি বিলাসবহুল বাংলো আছে, একটি ‘জলসা’ অন্যটি ‘প্রতীক্ষা’। শুধু তা–ই নয়, দেশজুড়ে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে তাঁদের সম্পত্তি। অমিতাভের অবর্তমানে কারা এই সম্পদের মালিক হবেন, সেটিও স্ত্রী জয়ার সঙ্গে আলাপ করে ঠিক করেছেন বিগ বি।


অমিতাভের সম্পত্তির পরিমাণ কত, ভাগীদার কারা?

অভিষেক, জয়া, অমিতাভ ও শ্বেতা বচ্চন। ছবি : ইনস্টাগ্রাম থেকে


অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের ভরা সংসার। দুই সন্তান ছাড়াও আছেন পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, নাতনি আরাধ্যা বচ্চন।


সেই সঙ্গে আছেন মেয়ে শ্বেতা বচ্চন, জামাই নিখিল নন্দা এবং নাতি-নাতনি অগস্ত্যা ও নব্যা নন্দা। যদিও এই বিশাল সম্পদের মালিক হবেন দুই ছেলেমেয়ে। অমিতাভ বচ্চন সমতায় বিশ্বাস করেন। সে কারণে সম্পদেও ছেলেমেয়ের সমান অধিকার নিশ্চিত করবেন তিনি। এরই মধ্যে সেই প্রমাণও দিয়েছেন। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের প্রতীক্ষা বাংলোটি দিয়েছেন মেয়ে শ্বেতার নামে, যার বর্তমান মূল্য ৫০ কোটি রুপি। এ বাংলো নিয়েই নাকি ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে বচ্চন পরিবারের অশান্তি তুঙ্গে উঠেছে। গুঞ্জন উঠেছে, মেয়েকে নিয়ে নাকি মায়ের কাছেই থাকছেন ঐশ্বরিয়া।

মুম্বাইয়ে জলসা ছাড়াও আরও পাঁচটি বাংলো আছে বচ্চন দম্পতির। প্রতিটি বাংলোর মূল্য ৩২ কোটির কাছাকাছি। আন্ধেরিতে অমিতাভের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ভাড়া আছেন অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা বাড়িভাড়া দিতে হয় এই অভিনেত্রীকে।

সেই সঙ্গে দিল্লির গুলমোহর পার্কে একটি বাড়িও ছিল অমিতাভের। ২০২২ সালে ২৩ কোটিতে বাড়িটি বিক্রি করে দেন তিনি।

অমিতাভের সম্পত্তির পরিমাণ কত, ভাগীদার কারা?


পাশাপাশি ফ্রান্সের ব্রিগনোগান প্লেগেও ৩ হাজার ১৭৫ বর্গমিটারের একটি বিলাসবহুল বাংলো আছে অমিতাভের। শুধু তা–ই নয়, ৬২ কোটি রুপি মূল্যের সোনার গয়না আছে জয়া বচ্চনের।


Credit: প্রথম আলো 
বিনোদন ডেস্ক
আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২৩: ৫৭ 

TAG: 


অমিতাভের সম্পত্তির পরিমাণ কত

ভাগীদার কারা

সন্তানেরা কে কত পাচ্ছেন?

অমিতাভের সম্পত্তির ভাগাভাগি

Frequently Asked Questions:


বৌমা ঐশ্বর্যার ভাগ্যে কিচ্ছু নেই, অমিতাভের অবর্তমানে তাঁর ...


অমিতাভ বচ্চনের 3000+ কোটি টাকার সম্পত্তি সমান হবে...


অমিতাভের ৩৭০০ কোটি টাকার সম্পত্তি ভাগাভাগি, সন্তানেরা ...


অমিতাভের সম্পত্তির ভাগাভাগি, সন্তানেরা কে কত পাচ্ছেন?


অমিতাভের সম্পত্তির অংশ পাচ্ছেন না ঐশ্বরিয়া


'আমি মারা গেলে আমার সম্পত্তি' ... অমিতাভের বিপুল পরিমাণ ...





রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

মুখে না দিয়েও আমের স্বাদ বোঝা যাবে ‘ইলেকট্রনিক নাক’ দিয়ে

 


‘আম মিষ্টি হবে তো?’ শুরুতেই আমরা জিজ্ঞেস করি বিক্রেতাকে। তারপর নেড়েচেড়ে দেখি, ঘ্রাণ নিই। ঝুড়ি থেকে বেছে বেছে ভালোগুলো তুলে নিই। এত ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’র পরও অনেক সময় বাড়ি ফিরে দেখা যায়, আম ভালো পড়েনি। এবার সত্যিকার অর্থেই পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে আমের মান নির্ণয়ের পদ্ধতি বের করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি দল। তাঁরা দাবি করছেন, তাঁদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মাধ্যমে আম না কেটেই এর মিষ্টতা ও পরিপক্বতা পরীক্ষা করা সম্ভব।


গবেষণাকাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিশক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক আনিসুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন একই বিভাগের দুই শিক্ষার্থী কাজী সাকিবুর রহমান ও এম মিরাজুস সালেহীন। ইতিমধ্যে গবেষণাপত্রটি কিউ-ওয়ান ক্যাটাগরির জার্নাল স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার টেকনোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে কৃষিশক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক চয়ন কুমার সাহা ও তিন শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম, জয়শ্রী ভদ্রা ও ঋতুপর্ণা রায় কাজ করেছেন।


মুখে না দিয়েও আমের স্বাদ বোঝা যাবে ‘ইলেকট্রনিক নাক’ দিয়ে




আমের মিষ্টতা নির্ণয়ের এই প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে ‘ই-নোজ’, যা এম-কিউ সেন্সরের মাধ্যমে কাজ করে। কেন এই নাম? অধ্যাপক আনিসুর রহমান বললেন, ‘আমের গুণমান বুঝতে আমরা ঘ্রাণ শুঁকি, নাকের কাছে নিই। সেই একই কাজ যন্ত্র দিয়ে করা হচ্ছে বলে এর নাম ই-নোজ বা ইলেকট্রনিক নাক। কাঠামোটি তৈরিতে স্বল্পমূল্যের চারটি এমকিউ সেন্সর, একটি রাস্পবেরি পাই, ১২ ভোল্টের ব্যাটারি, ভোল্টেজ কনভার্টার, আর্ডিনো মেগা ও বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ৪০-৪৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে।


ই-নোজের চারটি অংশ—গ্যাস চেম্বার, সেন্সর চেম্বার, ডেটা কন্ট্রোলার ও ডেটা স্টোর মডিউল। গবেষক দলের সঙ্গে কথা বলে এর কার্যপ্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা গেল—পরীক্ষার জন্য একসঙ্গে চার-ছয়টি আম গ্যাস চেম্বারে রাখা যায়। আমগুলো গ্যাস (ঘ্রাণ) নির্গত করতে থাকে। প্রতি ৩০ মিনিট পরপর এই গ্যাস সেন্সর চেম্বারে নেওয়া হয়। সেন্সরগুলো গ্যাসের ইলেকট্রনিক সংকেত তৈরি করে। সবশেষে উৎপন্ন সংকেতের ওপর ভিত্তি করে ডেটা স্টোর মডিউল আমের মিষ্টতা ও পরিপক্বতা নির্ণয় করে। 


অধ্যাপক আনিসুর রহমান দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যেই একটি আম পরীক্ষা করা সম্ভব। দীর্ঘ আড়াই বছর গবেষণার পর দলটি সফল হলো। এর মাধ্যমে কৃষক-ব্যবসায়ী উভয়ই উপকৃত হবে বলে জানালেন গবেষক দলের প্রধান আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, ‘জাপানে একই ফল কয়েকটি ভাগে বিক্রি করা হয়। একেকটার গুণগত মান একেক রকম থাকে। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে এমন একটা সময় আসবে, যখন বাংলাদেশের মানুষের আয় বাড়বে। তাঁরা বেছে বেছে ভালো মানের ফল, মিষ্টি ফল খেতে চাইবেন। তখন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা চাহিদামতো খাদ্য প্রস্তুত করতে পারবেন।


কৃষিশক্তি ও যন্ত্র বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী সাকিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৯৮.৩ শতাংশ পর্যন্ত সঠিক মিষ্টতা ও ৯৮.৫ শতাংশ পর্যন্ত সঠিক পরিপক্বতা নির্ণয় করা সম্ভব। সুতরাং এই গবেষণার প্রথম উপকারভোগী হবেন আমচাষিরা। রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিঘার পর বিঘা আমবাগান রয়েছে। বাগানের চাষিরা কেবল তাঁদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে পরিপক্বতা ও মিষ্টতা বোঝার চেষ্টা করেন। এ ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ক্রেতারও ব্যবসায়ীর কথা বিশ্বাস করা ছাড়া উপায় থাকে না। ফলে দেখা যায়, ক্রেতারা প্রায় সময় আম কিনে প্রতারিত হন।

অন্যদিকে, জুস কোম্পানি সঠিকভাবে পরিপক্ব আম সংগ্রহ করতে না পারলে মান খারাপ হতে পারে। হাজার হাজার টন আমের মধ্য থেকে এক-দুটি আম পরীক্ষা করে জুস উৎপাদন করার মধ্যে অনেক ঝুঁকি থাকে। আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি আম যেমন পরীক্ষা করা যাবে, এক টন আমও করা যাবে।


Credit: তানভীর রহমান (প্রথম আলো )





কটন বাডে কান পরিষ্কার? অজান্তেই বাড়ছে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি!

কটন বাডে কান পরিষ্কার? অজান্তেই বাড়ছে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি! অনেকেই গোসলের পর বা কানে একটু ময়লা দেখলেই কটন বাড দিয়ে কান পরিষ্কার করেন। আমাদে...